
গত ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে ঈশ্বরদী থানাধীন চকগড়গড়ি আলহাজ মোড় এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ইসলামী ও বিএনপি সমর্থিত এমপি প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে মোঃ তুষার হোসেন প্রকাশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে জনমনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে সংঘর্ষে জড়িত উভয় পক্ষ বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করে, যেখানে তুষার হোসেনকে মামলা নং–৪৫, তারিখ–২৯/১১/২০২৫–এর ০৬ নম্বর আসামী করা হয় (ধারা: ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৪২৭/৪৩৫/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড, ১৮৬০)।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আনোয়ার জাহিদ মহোদয়ের দিকনির্দেশনা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) জনাব মোঃ মশিউর রহমান মন্ডল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম & অপ্স) জনাব মোঃ রেজিনুর রহমান মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, ওসি ডিবি মোঃ রাশিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) বেনু রায়, পিপিএম, এসআই (নিঃ) অসিত কুমার বসাকসহ ডিবি পাবনার একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তি, স্থানীয় সোর্স ও গোয়েন্দা কৌশলের সমন্বয়ে আসামিকে গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের ধারাবাহিকতায় ০১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা ১৮:৩০ ঘটিকায়, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন ধানবান্ধি এলাকার মতিন সাহেবের ঘাট সংলগ্ন জে.সি. রোড থেকে মামলা–ভুক্ত ০৬ নম্বর আসামী মোঃ তুষার হোসেন (২১) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, তার হেফাজতে ঈশ্বরদী থানাধীন ভেলুপাড়া এলাকায় একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রাখা রয়েছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ডিবি সদস্যরা মোঃ রবিউল ইসলাম এর ফাঁকা পতিত জমিতে মোঃ আতিক এর ইটের প্রাচীরের পশ্চিম পাশে মাটি খুঁড়ে (প্রায় ৬–৭ ইঞ্চি গভীরে) স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়ানো একটি সচল কালো রঙের লোহার পিস্তল ও ম্যাগাজিনে থাকা ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে।
—
গ্রেফতারকৃত আসামির পরিচয়
১। মোঃ তুষার হোসেন (২১)
পিতা: মোঃ আবু তাহের
মাতা: মোছাঃ তাছলিমা খাতুন
সাংঃ ভেলুপাড়া, থানা: ঈশ্বরদী, জেলা: পাবনা
—
উদ্ধারকৃত আলামত
১। একটি সচল কালো রঙের লোহার তৈরি অবৈধ পিস্তল (স্বচ্ছ পলিথিন মোড়ানো)
২। পিস্তলের ম্যাগাজিনে লোডেড অবস্থায় ০২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মামলা নং–০৬, তারিখ: ০২/১২/২০২৫ ইং, ধারা—The Arms Act, 1878 এর 19A/19(f) মোতাবেক পৃথক অস্ত্র মামলা রুজু করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা, পাবনা জানায়—
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে তারা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
