
ফরিদপুর থানাধীন এলাকায় সংঘটিত সুরাইয়া হত্যা ও মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুই আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম সুরাইয়া এবং আসামি ডালিয়া সম্পর্কে চাচাতো বোন। অপর আসামি আব্দুল লতিফ ডালিয়ার স্বামী। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ভিকটিমের দাদা-দাদী আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ও সহজ-সরল হওয়ায় আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি ভুয়া অপহরণের ছক কষে।
ঘটনার দিন আসামি ডালিয়া ভিকটিম সুরাইয়াকে নিয়ে নির্ধারিত স্থানে আব্দুল লতিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। পরে একটি পরিত্যক্ত ঘরে ডালিয়া সুরাইয়াকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে রেখে যায়। রাতের বেলায় তারা সেখানে ফিরে এসে সুরাইয়াকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। এরপর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভিকটিমের লাশ স্থানীয় একটি পুকুরে ফেলে দেয়।
পরবর্তীতে গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আব্দুল লতিফের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে ভিকটিমের দাদার কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আসামি আব্দুল লতিফ (জন্তিহার, ফরিদপুর) এবং ডালিয়া (ভিকটিমের চাচাতো বোন ও লতিফের স্ত্রী)–কে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পাবনা জেলা পুলিশ দ্রুত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ তদন্তের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনেছে। জেলা পুলিশ জানায়, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে তারা সর্বদা বদ্ধপরিকর।
