
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে জাগপার সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, “আজ আমরা হলুদ কার্ড দেখিয়েছি, কিন্তু দাবি আদায় না হলে আগামীবার লাল কার্ড দেখানো হবে।”
মেরুল বাড্ডা থেকে শুরু হওয়া মিছিল গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাশেদ প্রধান বলেন, “গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার বিচার দেখতে শহীদের পরিবার ও জুলাই মাসের যোদ্ধারা অধীর অপেক্ষায়। অথচ তাকে ভারত এক বছর ধরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আশ্রয় দিয়েছে। এটি মেনে নেওয়া যায় না। খুনি হাসিনাকে অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। সীমান্তে হত্যা, অবৈধ পুশ-ইন, নদীর পানি লুট এবং ভূখণ্ড দখলের মতো আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, এমনকি সচিবালয়েও শেখ হাসিনার সময়ে হিন্দুস্তানি প্রভাব ও ‘র’ এর এজেন্টদের ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যারা এখনো বিভিন্ন জায়গায় সক্রিয়। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সময় থাকতে ভারত তার কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাহার করুক। অন্যথায় জনগণের প্রতিরোধ আরেকটি ৫ আগস্টের ইতিহাস সৃষ্টি করবে।”
৫ আগস্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সে দিন শুধু ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দলই পরাজিত হয়নি, ভারতও নৈতিকভাবে হেরে গেছে। বাংলাদেশে আর কোনো আগ্রাসন চলবে না। ভোটের ফল বাংলাদেশেই হবে, দিল্লির অলিন্দে নয়। প্রতিবেশীর মতো আচরণ করুন, প্রভুর মতো নয়।”

রাশেদ প্রধানের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আরও বক্তব্য রাখেন দলটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, মো. নিজামদ্দিন অমিত, ভিপি মুজিবুর রহমান, শামীম আক্তার পাইলট, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকী।
