
পাবনার চাটমোহরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ৬২ হাজার টাকাসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া পৃথক অভিযানে তিন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার অমৃতকুন্ডা (রেলবাজার), ভাদড়া ও মথুরাপুর এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ডিএনসি পাবনা জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে চাটমোহর উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের অমৃতকুন্ডা (রেলবাজার) গ্রামের ফজলু প্রামাণিক (৫২) ও তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহারকে (৪৪) তাঁদের বসতবাড়ির শয়নকক্ষ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের দখল থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ফজলু প্রামাণিক ওই গ্রামের মৃত আবু তালেব প্রামাণিকের ছেলে। এ ঘটনায় ডিএনসির পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাটমোহর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
অন্যদিকে, চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরীর নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে উপজেলার ভাদড়া ও মথুরাপুর এলাকার বিভিন্ন মাদকস্পট থেকে তিন মাদকসেবীকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—চাটমোহরের নারিকেলপাড়া গ্রামের গুলজারের ছেলে লিটন শেখ (৩৮), ভাদড়া গ্রামের জনাব আলীর ছেলে জনি (২০) এবং মথুরাপুর গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে শাজাহান ওরফে সাজা (৪৭)।
ডিএনসি পাবনার পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম ও উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলম আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর। তিনি জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের ১২ তারিখ পর্যন্ত মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মোট ৪৯ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
