জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে আজ পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ কেন্দ্রে দেখা যায় ভিন্ন এক চিত্র। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে এসে পড়েন চরম ভোগান্তিতে। সকাল থেকেই সড়কে তীব্র যানজটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। এতে করে তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় উৎকণ্ঠা ও হতাশা।
শুধু তাই নয়, অনেক শিক্ষার্থীর সিট অন্য কেন্দ্র—বিশেষ করে শহীদ মনসুর আলী কলেজে পড়ায় সময়মতো সঠিক স্থানে পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমন সংকটময় মুহূর্তে এগিয়ে আসেন সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজওয়ান আহম্মেদ (শুভ)।
তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে তিনি নিজে এবং তার সহযোগীরা মোটরসাইকেলে করে দেরিতে আসা শিক্ষার্থীদের দ্রুত তাদের নির্ধারিত ডিপার্টমেন্ট, হলরুম এবং অন্য কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেন। তার এই মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগে অনেক শিক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের একজন জানান, “যানজটে আটকে পড়ে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। ঠিক তখনই ভাই আমাদের সাহায্য করেন। না হলে হয়তো পরীক্ষাই দিতে পারতাম না।”
স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু মানবিকতারই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ববোধেরও একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে রেজওয়ান আহম্মেদ শুভ যে সহমর্মিতার পরিচয় দিয়েছেন, তা ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসিত হচ্ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতে এমন বড় পরীক্ষার সময় প্রশাসনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী টিম থাকলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।