আদালতের রায়, নতুন খতিয়ান, নামজারি ও নিয়মিত খাজনা পরিশোধের বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও পৈতৃক ৫৪ শতাংশ জমির ভোগদখলে বাধা এবং দীর্ঘদিনের হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী একটি পরিবার।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সামিউল ইসলাম (৩৫)। তিনি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আলিপুর, ডাকঘর ইটাভাড়া, হযরতপুর এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে সামিউল ইসলাম দাবি করেন, চর আলগী মৌজায় অবস্থিত জমিটি তার পিতা নূরুল ইসলাম গংদের ওয়ারিশ ও ক্রয়সূত্রে অর্জিত বৈধ সম্পত্তি। তবে ভুলবশত জমিটি অন্যের নামে আরএস রেকর্ড হওয়ায় তারা রেকর্ড সংশোধনী মামলা নং ৫৪০/২০২১ দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, আদালত তাদের পক্ষে রায় প্রদান করার পর মিস কেস নং ১১/২৪-এর মাধ্যমে নতুন খতিয়ান সৃজন করা হয়। পরবর্তীতে নামজারি সম্পন্ন করা হয় এবং সরকারি খাজনাও নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, একটি প্রভাবশালী মহল পুলিশের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জমিটি দখলের চেষ্টা করছে। পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশি প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
এ পরিস্থিতিতে অবৈধ দখলচেষ্টা বন্ধ, হয়রানি থেকে পরিত্রাণ এবং বৈধ মালিকদের কাছে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার।